IICB তে ছাঁটাই ৩৬ জন বাঙালি অশিক্ষক কর্মচারী

কলকাতা : জানুয়ারি 1, 2025: বছরের প্রথম দিনই চাকরি হারিয়ে মাথায় হাত পড়েছে ৩৬টি বাঙালি পরিবারের। বছরের শুরুতেই যাদবপুরে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল বায়োলজির মতো স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০ জন কর্মচারী চাকরি হারালো। এদিন গেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন কালে চাকরি হারানো কর্মচারীদের দাবি তারা বিগত ২৫-৩০ বছর ধরে ওই প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক অশিক্ষক কর্মচারী হিসাবে চাকরিরত ছিলেন। কোন নোটিশ ছাড়াই আজ বছরের প্রথম দিনেই কর্তৃপক্ষ চাকরি থেকে তাদেরকে বরখাস্ত করে। তাদের পরিবর্তে ভিন রাজ্যের মূলত উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও দিল্লি রাজ্যের বাসিন্দাদের ওই পদগুলিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের দাবি অনুযায়ী আই.আই.সি.বি. এর ডিরেক্টর ভিভা টেন্ডন নতুন টেন্ডার করে ভিনরাজ্যের লোক জনকে নিয়োগ করেছে কোনো নোটিশ ছাড়াই। চাকরি হারানো একজন কর্মচারী বলেন,”আমরা বিগত ৩০ বছর ধরে এখানে চাকরি করছি। নতুন যাদের চাকরিতে নিয়োগ দিচ্ছে তাদের থেকে ঘুষ নিয়ে অর্থ উপার্জনের জন্য এই কারসাজি করে নতুন নিয়োগ করা হয়েছে। ডিরেক্টর বলছেন যে বাঙালি কাজ পারে না।” এ প্রসঙ্গে বাংলাপক্ষ’র সাংগঠনিক সম্পাদক তথা শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, “আই.আই.সি.বি. তে চাকরি হারানো ৪০ জনের মধ্যে ৩৬ জন বাঙালি। একজন বাঙালি প্রতিবন্ধী মহিলা কর্মচারীকে পর্যন্ত বার করে দেওয়া হয়েছে। বাংলায় বাঙালিদের বঞ্চিত করে ভিন রাজ্যের বাসিন্দাদের নিয়োগ করে বাঙালিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে।” তিনি আরো বলেন চাকরিহারাদের চাকরিতে অবিলম্বে পুনর্বহাল না করলে খুব শীঘ্রই বাংলা পক্ষ আই.আই.সি.বি. এর সামনে বিক্ষোভ শুরু করবে।

Read More
cyclone

ফের বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়, কবে-কোথায় আছড়ে পড়তে পারে Fengal ? বঙ্গে কি প্রভাব পড়বে

রাজ্যে থাবা বসাতে শুরু করেছে শীত। দেশজুড়েই শীতের আমেজ। একাধিক রাজ্যে বজ্র-বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে চলতি মরসুমেই আরও একটি ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা দিল IMD। উত্তর-পূর্ব মৌসুমির মরসুম চলাকালীন সক্রিয় হয়ে ওঠে ভারত মহাসাগর। নভেম্বর মাস নাগাদ ঝোড়ো-কার্যকলাপ বাড়তে থাকে। যদিও এ বছর এখনও পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে শান্ত রয়েছে পরিস্থিতি। এখনও পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’-র প্রকোপই দেখা গেছে। কিন্তু, এবার এল নতুন ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা। ঘূর্ণিঝড় Fengal – বঙ্গোপসাগরে দানা বাঁধছে নতুন ঘূর্ণিঝড় । এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে IMD। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণে আন্দামান সমুদ্রে নতুন একটি সাইক্লোন আসতে পারে। নভেম্বরের ২১ তারিখেই এর উৎপত্তি। তবে, এর তীব্রতা বাড়বে ২২ ও ২৩ নভেম্বর। যদি এটি ঝড়ে পরিণত হয়, তাহলে এটি মরসুমের দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে। সদস্য দেশগুলির এই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের পরিপ্রেক্ষিতে, এর নাম হতে চলেছে ‘ফিনজল’ বা মতান্তরে ‘ফিঞ্জল’ (Fengal)। এর নামকরণ প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। ধ্বংসলীলা চলতে পারে শ্রীলঙ্কায় IMD-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে পশ্চিমের দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং উত্তর-পশ্চিম দিকেও। পরবর্তীকালে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এই মুহূর্তের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৬ ও ২৭ নভেম্বর এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে উত্তর শ্রীলঙ্কায়। যদিও IMD বলছে এখনই এব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হবে না। কতটা তীব্র হতে পারে তাও এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী দিনে আবহাওয়ার গতি-প্রকৃতি কোন দিকে এগোচ্ছে তার উপর সবকিছু নির্ভর করছে। তখনই বোঝা যাবে, এটি পূর্ণাঙ্গ ঝড়ে পরিণত হতে চলেছে কি না। প্রসঙ্গত, নভেম্বর মাস নাগাদ বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার প্রভাব পড়ে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে । এই পথে মাঝেমধ্যে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সম্প্রতি আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। নাম তার ‘দানা’। যার অর্থ মূল্য়বান মুক্ত। কিন্তু কাজের দিক থেকে সে ক্ষতিকারক! ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র কারণে জেলার পর জেলায় চাষের ব্য়াপক ক্ষতি হয়েছে। কার্যত বিপর্যয় নেমে এসেছে চাষিদের উপর। তবে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র প্রভাব বাংলায় তেমনভাবে না পড়লেও বিদ্যুতের তার আর রাস্তায় জমা জলে মরণ-ফাঁদ তৈরি হয়।

Read More

আট দিন পরে ‘ভয়াবহ’ বায়ুদূষণ থেকে দিল্লিবাসীর মুক্তি, তবে এখনও ‘খুব খারাপ’ রাজধানীর বাতাস

টানা ৩ দিন ঘন ধোঁয়াশায় ঢুবে রয়েছে রাজধানী। ইতিমধ্য়েই স্কুল বন্ধ করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের গাড়ি রাজধানীতে ঢোকার ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা এআইকিউ গিয়ে দাঁড়াল ৪৮৮। কিন্তু রাজধানীর এই ভয়ংকর দুষণের কারণ কী? প্রায়শই শোনা যায় দিল্লি দূষণের মূল কারণ পঞ্জাব ও হরিয়ানার চাষিদের খড় পোড়ানো। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে রয়েছে অন্য কারণ।   সেন্টার ফর রিসার্চ অ্য়ান্ড ক্লিন এয়ার বা সিআরইএ-র সমীক্ষা অনুযায়ী দিল্লি এনসিআর এলাকায় তাপ বিদ্যুত্  কেন্দ্রগুলি যে দূষণ ছড়ায় তা চাষিদের খড় পোড়ানোর থেকে ১৬ গুন বেশি। চাষিদের ৮৯০ লাখ টন খড় পোড়ানোর ফলে ১৭.৮ কিলোটন দূষণ ছড়ায়। ২০২২ সালের জুন মাস থেকে ২০২৩ সালের মে মাস পর্যন্ত দিল্লি এনসিআরের তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলি ২৮১ কিলোটন সালফার ডাই অক্সাইড তৈরি করেছে। দিল্লি দূষণের মূল কারণ সালফার ডাই অক্সাইড। আর তাতে বেশি অবদান রয়েছে তাপ বিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলির। শীতে বাতাস ঠান্ডা হয়েছে। আর বাতাসের প্রবাহও কম। এতেই দূষিত বাতাস সরে যাওয়ার সুযোগ অনেকটাই কম করে দিয়েছে। অর্থাত্ শহরের মধ্যেই আটকে থাকছে দূষিত বাতাস। এদিকে, শহরের পরিস্থিতি বিচার করে একাধিক পদক্ষেপ করেছে দিল্লি সরকার।  দূষণ আটকানোর জন্য শহরে ট্রাক ঢোক নিষিদ্ধ করেছে সরকার। পাশাপাশি সব বেসরকারি নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার যেসব ব্যবস্থা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্যবাহী ট্রাক শহরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। গুরুত্বপূর্ণ নয় দিল্লির বাইরের এমন হালকা গাড়ি শহরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে সিএনজি ও বিএস ৬ ডিজেল গাড়িকে। বেসরকারি সব নির্মাণ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বন্ধ রাখতে হবে হাইওয়ে, রাস্তা, ফ্লাইওভার, বিদ্য়ুত লাইন, জলের লাইন বসানোর কাজ। সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ হাজিরা রেখে বাকীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। সোমবার থেকে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণি ছাড়া বাকী স্কুল পড়ুয়াদের ক্লাস বাতিল করতে স্কুলগুলিকে বলা হয়েছে।

Read More