নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতার এন কে রিয়াল্টরস (NK Realtors) কোম্পানিতে ব্রাত্য বাঙালি

২৮ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা: ‘হিন্দি এবং ইংরেজি জানা অবাঙালি মাড়োয়ারি বা জৈন ধর্মের দক্ষ ও অভিজ্ঞ সিনিয়র প্রোডাক্ট স্পেশালিস্ট চায় কলকাতার আবাসিক প্রকল্পের সেল্‌স চালনা করার জন্য’ – কলকাতার এন কে রিয়াল্টরস কোম্পানির প্রথম বিজ্ঞাপনটা ছিল এরকম। এবং এই বিজ্ঞাপনটা করানো হয়েছিল কোম্পানির জনৈক বাঙালি কর্মচারি অনির্বাণ চ্যাটার্জিকে দিয়ে। কোম্পানির মালিক স্বাভাবিকভাবেই পবন আগরওয়াল ও রাম নরেশ আগরওয়াল। এটা অন্য কোনও রাজ্যে সম্ভব নয়। প্রত্যেক রাজ্যেই সেই রাজ্যের লোক নিতে বাধ্য। অথচ বাংলার রাজধানী কলকাতায় একের পর এক এরকম ধৃষ্টতা ঘটেই চলেছে। কদিন আগেই আরেকটা প্রোমোটিং কোম্পানি মারলিন এরকম কর্মখালির বিজ্ঞাপন দিয়েছিল এবং বলেছিল বাঙালি নেব না। অর্থাৎ এই মারোয়ারি প্রোমোটার কোম্পানিগুলোর মধ্যে বাঙালির না নেবার একটি ঘৃণামূলক আচরণ ব্যাপকভাবে বিদ্যমান। এই কোম্পানিতে যে বাঙালির নেই তা নয়। সেই কটা বাঙালি আছে, যে কটা না নিলেই নয়। এই পোস্ট করার পরে বাংলা পক্ষর দ্বারা জাগ্রত বাঙালির প্রতিবাদে ধর্ম ও জাতির বিষয়টা ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুরানো পোস্টটি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। কতদিন বাঙালির এই বঞ্চনা চলবে? বাংলা পক্ষ বার বার বলে ‘বাংলায় কাজ আছে, বাঙালির কাজ নেই’ এই কথা সর্বৈব সত্য প্রমাণ করে চলেছে এই কোম্পানিগুলো। সাধারণ বাঙালি নির্লিপ্ত দাসত্ব বহন করে চলেছে। বাংলাপক্ষ’র সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বাঙালির শত্রুদের বিরুদ্ধে বাংলা ও বাঙালি ভবিষ্যতে আরও সোচ্চার হবে এবং বাঙালির সাংবিধানিক অধিকার নিয়েই ছাড়বে।

Read More

বহিরাগত দুর্বৃত্তদের শিকার বাঙালি তরুণী

২৪ ফেব্রুয়ারি, আসানসোল: ছাব্বিশ বছরের সুতন্দ্রা চট্টোপাধ্যায় ছিলেন চন্দননগরের বাসিন্দা। তিনি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজে রবিবার রাতে বিহারের গয়ায় যাচ্ছিলেন। মধ্যরাতে পানাগড়ের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় রাষ্ট্রীয় সড়কের পাশে কাঁকসা থানা এলাকার একটি রাস্তায় কয়েক জন মত্ত যুবক গাড়ি নিয়ে তরুণীর গাড়ির পিছু নেন। তরুণীর গাড়িতে বার বার ধাক্কা দেন তাঁরা। ‘ইভটিজ়ার’দের হাত থেকে বাঁচতেই দ্রুত গতিতে চালাতে গিয়ে উল্টে যায় তরুণীর গাড়ি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সুতন্দ্রার। তাঁর দেহ আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তের জন্য। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তরুণীর গাড়িতে থাকা তাঁর দুই সহকর্মীকেও। তরুণীর সঙ্গে থাকা এক সহকর্মী সোমবার সকালে দাবি করেন, বুদবুদ থানায় এলাকায় একটি পেট্রল পাম্পে দাঁড়িয়েছিল তাঁদের গা়ড়িটি। তেল ভরার পর তাঁরা কাঁকসার দিকে যাওয়ার সময়েই কয়েক জন যুবক গাড়ি নিয়ে তাঁদের পিছু নেন। পিছন দিক থেকে বার বার তাঁদের গাড়িতে ধাক্কা দিতে থাকেন। যার জেরেই তরুণীর গাড়িটি উল্টে গিয়েছিল।অভিযুক্তদের সাদা গাড়িটি আটক করে পুলিশ। গাড়ির নম্বর ‘ডব্লিউবি ৪০ এটি১৯৭৪’। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, গাড়িটি জনৈক বাবলু যাদবের নামে রয়েছে। গাড়ির মালিকের পরিচয় জানার পরেও কেন কাউকেই ধরা গেল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। ঘটনার পর ১৮ ঘণ্টা পার হলেও কেন অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা গেল না? এ নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মৃতার মা তনুশ্রী চট্টোপাধ্যায়। পুলিশ অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।আসানসোল-দুর্গাপুরের সিপি সুনীল চৌধুরীর দাবি একেবারে ভিন্ন। সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানিয়েছেন, কোনও ইভটিজিংয়ের ঘটনাই ঘটেনি। বরং তরুণীর গাড়িই নাকি ওই যুবকদের গাড়ির সঙ্গে রেষারেষি করছিল। তাতেই ঘটে দুর্ঘটনা। তাহলে প্রত্যক্ষদর্শী মৃতার সঙ্গীর দাবি স্বত্বেও পুলিশের ভিন্নমত কেন? বহিরাগত দুষ্কৃতিদের বাঁচানোর প্রচেষ্টা নয়তো? প্রশ্ন অনেক।

Read More

সিপিএম এর নতুনরা কি বাংলামুখী ? উর্দুভাষী সেলিমের চাপেই কি কোণঠাসা ?

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, কলকাতা: সিপিএমের যুবনেতা সায়ন ব্যানার্জি শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি নেতাদের বিধানসভার বাইরে মাথায় গেরুয়া পাগড়ি পরে প্রতিবাদের ছবিকে ইঙ্গিত করে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন-“মাথার পাগড়ি দেখে বোঝা মুশকিল এটা বাংলার বিধানসভা নাকি এটা কোনা হিন্দিভাষী রাজ্যের বিধানসভা, এত বাঙালি বিদ্বেষী কেন? কিসের জন্য? এই শুভেন্দু বাবুইতো পূর্ব মেদিনীপুরের বুকে রাজনীতি করতে গিয়ে বারংবার সতীশ সামন্ত, সুশীল ধারার আবেগে শান দিয়ে ভাষন দেন, সেই শুভেন্দু অধিকারির নেতৃত্বে বিজেপির বিধায়কদের দেখলে বাঙালির নিজস্বতা খুজে পাওয়া মুশকিল।। ২০১৪ থেকে বিজেপি বাংলার সংসদীয় রাজনীতিতে আসন জিতছে ২০২১ সালে বাংলার মানুষ বিজেপিকে প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসালো কিন্তু বাস্তবতা দেখে বোঝাই যাচ্ছে বিজেপি আজও বাঙালিয়ানা কে আপন করে নিতে পারে নি, গো বলয়ের রাজ্যের সংস্কৃতির প্রয়োগ বাঙালি আগেও মানেনি আর ভবিষ্যতেএ মানবে না।” আবার সিপিএমের যুবনেত্রী দিপ্সীতা ধর গতকাল ১৭ ফেব্রুয়ারি, সোমবার ফেসবুক পোস্ট করেছেন- কলকাতায় নেমে ট্যাক্সি খুঁজতে চাইলে, ৯০% সময় ওপারের ড্রাইভারটি হিন্দিতে জবাব দেবেন, আপনি বাংলা তে বললেও ওপার থেকে জবাব আসবে হিন্দিতে, ব্যাপারটা এমন যেন আপনিই পশ্চিমবঙ্গে হিন্দি না বলে অপরাধ করে ফেলেছেন। এবং এ রোগ শুধু হিন্দিভাষী তেই সীমাবদ্ধ নেই, এয়ারপোর্টের লাইনে দাঁড়িয়ে একটি ধোপদুরস্ত মেয়ে ডিজিযাত্রা বোঝাচ্ছেন হিন্দি তে, আমি সচেতন ভাবেই তাকে বাংলায় প্রশ্ন করি, মেয়েটি হিন্দিতে জবাব দেয়। “তুমি বাংলা জানোনা?” প্রশ্ন করায় স্পষ্ট বাংলায় সে জানায় সে বাঙালি। তবে হিন্দি তে বলছে কেন? আসলে মাথার মধ্যে ঢুকে গেছে “হিন্দি ভারতের রাষ্ট্র ভাষা”, ভারতের ইউনিভার্সাল ভাষা, কাজের ভাষা। অথচ আমাদের মতো বহুভাষী দেশে কোনো ভাষার আরোপিত সমসত্বতা আসলে আগামীর সাংস্কৃতিক, ধার্মিক এবং অবশ্যই রাজনৈতিক সমসত্বতার প্রাথমিক সোপান। এবং এই নির্মাণে আদতে লাভ কার হয় আমরা সকলেই তা জানি।আর কিছুদিন পরেই ২১ শে ফেব্রুয়ারী, বাংলা ভাষা নিয়ে উদ্বেল হওয়ার দিন। কবিতায়, ছবিতে বাঙালি তার গৌরব মনে করবে, খালি ভুল করেও মনে করবে না, কাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের সরকারি বাংলা মিডিয়াম স্কুল গুলো বন্ধের মুখে, কেন বাঙালী শ্রমিক পরিযায়ী হয়ে পৌঁছে যাচ্ছে দিল্লী ব্যাঙ্গালোর এর বস্তি তে, বাংলাদেশি তকমায় কোন বাঙালি আক্রান্ত হচ্ছে, জেল খাটছে, খুন হয়ে যাচ্ছে হরিয়ানা, রাজস্থানে? ২১ শে ফেব্রুয়ারীর মাটি প্রশ্ন করতে চাইবে না, কেন ঢাকার মাটিতে ২০২৫ এ লেগে থাকে আদিবাসী মেয়ের চাপ চাপ রক্ত?আসলে বাংলা ভাষার এটাও একটা মজা, বাঙালি মেরেও জয় বাংলা বলে যাওয়া যায়। তাহলে কি সিপিএমের তরুণ প্রজন্ম বাংলামুখী? বাংলা জাতীয়তাবাদী? উর্দুভাষী মহঃ সেলিমের চাপেই কি দলের মধ্যে উন্মুক্ত বাক্য প্রকাশে কোণঠাসা? নাকি ভোটের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদকেই তারা অস্ত্র হিসেবে বেছে নিচ্ছে? প্রশ্ন অনেক। সামনে এখনও অনেক পথ চলা।

Read More

রাজ্য সঙ্গীতে ‘বাংলা’ ফিরে এল ‘বাঙালি’ তে

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, কলকাতা: ২০২৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় রাজ্য সঙ্গীতের প্রস্তাব পাশ করিয়ে নিয়েছিলেন। বাংলার রাজ্য সঙ্গীত হবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’। এই গানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘বাঙালি’ শব্দটির বদলে ‘বাংলা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তাতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। কেউ বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা পরিবর্তন করা অনুচিত। সেই বিতর্কের নিরসন করে সোমবার ১৭ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্য সঙ্গীত হিসাবে রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গানটির কোন স্তবকটি গাওয়া হবে। গানটির প্রতিটি শব্দ অক্ষুন্ন রেখেই গাওয়া হবে অর্থাৎ ‘বাংলা’ শব্দের বদলে ‘বাঙালি’। এক মিনিট সময়ের মধ্যে সেটি গাওয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। এছাড়া আরো বলা হয়েছে যে, রাজ্য সঙ্গীত চলাকালীন উঠে দাড়ালে ভাল। মুখ্যসচিবের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্য সঙ্গীত হিসাবে গাওয়া হবে, ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল- পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান।। বাঙালির প্রাণ, বাঙালির মন, বাঙালির ঘরে যত ভাই বোন— এক হউক, এক হউক, এক হউক হে ভগবান।’

Read More

বাংলার ভোটার লিস্টে ঢুকছে বিহারি ভোটার, বাংলা পক্ষর দাবিকে সমর্থন মুখ‍্যমন্ত্রীর

১৩ ফেব্রুয়ারি,কলকাতা: গতকাল বাজেট অধিবেশনের শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে অনলাইনে ভোটার লিস্টের নাম তোলার মাধ‍্যমে বিপুল সংখ‍্যক বিহার থেকে বহিরাগত ভোটার ঢোকানো হচ্ছে। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার লিস্টে এত সংখ‍্যক ভোটার বিশেষ রাজ‍্য থেকে ঢোকানো বিজেপির বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ বলেই তিনি মনে করেন।প্রশ্ন উঠছে মুখ‍্যমন্ত্রী কি বাংলা পক্ষর দাবিতেই শিলমোহর দিলেন ?বাংলা পক্ষ দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করছে পার্শ্ববর্তী বিহার, ঝাড়খণ্ড, ইউপির অনেকের এরাজ‍্যেও ভোটার কার্ড আছে। এরাই বাংলার ভোটের সময় বিজেপির পক্ষে এরাজ‍্যে ভোট দেয় আবার এই ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড ব‍্যবহার করে রাজ‍্য সরকারের স্বাস্থ‍্যসাথী, গতিধারা,কন‍্যাশ্রীর মত প্রকল্পে ভাগ বসায়। এভাবেই এরা স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড পায়, সবুজসাথীর সাইকেল পায় আবার আধাসেনায় রাজ‍্য কোটায় চাকরিও পায়। বাংলা পক্ষ দ্বৈত ভোটারকার্ডধারীদের চিহ্নিত করে বাংলার ভোটার কার্ড বাতিলের দাবি করছে দীর্ঘদিন।ভোটার সংখ‍্যা অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে কেন্দ্রীয় সরকারে থাকা বিজেপির লাভ হচ্ছে রাজনৈতিক ভাবে, সেটা সদ‍্য সমাপ্ত দিল্লী বিধানসভা বা মহারাষ্ট্রের ভোটে প্রতিফলিত। দিল্লীতে শেষ পাঁচ মাসে চার লক্ষ ভোটার বৃদ্ধি পেয়েছিল যা দিল্লীর মোট ভোটার সংখ‍্যার প্রায় ৪ শতাংশ, দিল্লীতে বিজেপির থেকে আপের ভোট শতাংশের পার্থক‍্য দুই শতাংশ মাত্র। এই তথ‍্যেই পরিষ্কার কোথায় কারচুপি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে এই বৃদ্ধির সংখ‍্যা ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ।বাংলাতেও এই একই পদ্ধতিতে ঘুঁটি সাজাচ্ছে দিল্লীর শাসক, বলে মনে করছেন মুখ‍্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তিনি বলেন বাংলা স্বাধীনতার মাটি, এখানে এসব করা যাবে না, প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

Read More

ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫ স্কোয়াড থেকে বাদ জসপ্রিত বুমরাহ

১২ ফেব্রুয়ারি,কলকাতা: আসন্ন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের সম্ভাবনা একটি বড় ধাক্কা খেল। ভারতের নাম্বার ওয়ান পেস বলার জাসপ্রিত বুমরাহ মঙ্গলবার টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়েছেন। গত মাসে সিডনিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির শেষ টেস্টের সময় বুমরাহ পিঠের নিচের অংশে চোট পেয়েছিলেন এবং তখন থেকেই তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। নির্বাচকরা ১৫ সদস্যের দলে তার বদলি হিসেবে পেসার হর্ষিত রানাকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানে ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হলেও ভারতের খেলা হবে দুবাইয়ে। ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ, ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান এবং ৩ মার্চ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা।

Read More

বড় বাজারে হাজির ১৫ কেজি ওজনের বিশাল কাতলা

৯ ফেব্রুয়ারি,কলকাতা: কলকাতায় বড়বাজারের প্রবেশ মুখ গিরিশ পার্কে ‘মাছ-ভাত’ উৎসব পালন করল বাংলা পক্ষ। রাস্তায় বসেই বিশাল ১৫ কেজি ওজনের কাতলা মাছ কাটা হয় । শুধু একটি মাছ নয়,আরো প্রচুর মাছ রাস্তাতেই কাটা হয়। শুটকি মাছও রান্না হয় বাংলা পক্ষর তরফে। বাংলা পক্ষর আয়োজনে মাছ-ভাত খেলো হাজারও বাঙালি। বাংলা পক্ষর ‘মাছ-ভাত’ উৎসব থেকে তীব্র আক্রমণ শানানো হয় বিজেপি কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত এবং আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাকে । সম্প্রতি বিজেপি কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত কলকাতা পুরসভায় খোলা বাজারে মাছ মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছিলেন। যুক্তি দিয়েছিলেন মাছের গন্ধে গা ঘিনঘিন করে। মাছ মাংস থেকে পরিবেশ দূষণ ছড়ায়। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা সারা ভারতে আমিষ খাবার নিষিদ্ধ করার ডাক দেন। এরই প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ এদিন ‘মাছ-ভাত’ উৎসবের ডাক দেয়। বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান,”আজ গিরিশ পার্কে মাছ-ভাত উৎসব পালন করল বাংলা পক্ষ, আগামী দিনে সারা বড় বাজার জুড়ে মাছ-ভাত উৎসব পালন হবে। বাঙালি আজ গুজরাটে গিয়ে, মধ্যপ্রদেশে গিয়ে, রাজস্থানে গিয়ে বলতে পারবে ওরা ওখানে কি খাবে ? তা নিয়ে মতামত দিতে পারবে ? তাই বাঙালিও বহিরাগতদের কথায় মাছ খাওয়া এবং বিক্রি বন্ধ করবে না। কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিতের সমস্যা হলে তিনি তার নিজের রাজ্যে ফিরে যেতে পারেন।”বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি হুংকার দিয়ে বলেছেন, “কলকাতার বিজেপি কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত বা আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী মন্তব্য করেছেন। সেটার পালটা হিসেবেই এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে।” এদিনের বাংলা পক্ষর ‘মাছ-ভাত’ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, মনন মন্ডল, সম্রাট কর, অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, আব্দুল লতিফ, সৌম্য কান্তি ঘোরই এবং মহম্মদ সাহিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগণা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায় , বাঁকুড়ার জেলা সম্পাদক অচিন্ত্য কুমার নাথ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার জেলা সম্পাদক কুশনাভ মন্ডল,নদিয়ার জেলা সম্পাদক মধুসূদন ঘোষ, পুরুলিয়ার জেলা সম্পাদক আজিম শেখ ও বাংলা পক্ষর আরো অনেক সদস্য।

Read More

আমেরিকা ফেরত ১০৪ জন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর মধ্যে ৩৩ জন গুজরাটের, বাংলার শূন্য

৬ ফেব্রুয়ারি,কলকাতা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে C-17 গ্লোবমাস্টার মিলিটারি উড়োজাহাজ ১০৪ জন নথিবিহীন অনুপ্রবেশকারীকে নিয়ে ভারতে ফিরলো । প্রথমে দিল্লিতে নামার কথা থাকলেও মোদী সরকার উড়োজাহাজটিকে দিল্লির পরিবর্তে পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবতরণে অনুমতি দেয়। ১০৪ জনের মধ্যে গুজরাটের ৩৩ জন,হরিয়ানার ৩৩ জন, পাঞ্জাবের ৩০ জন, মহারাষ্ট্রের ৩ জন এবং উত্তর প্রদেশ ও চন্ডিগড় থেকে ২ জন করে। ১ জনের কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার মোট ১৮,০০০ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে এখনই আমেরিকা থেকে ফিরিয়ে নিয়ে ট্রাম্প সরকারকে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ৮ লক্ষ ভারতীয় অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এই মুহুর্ত্বে আছে আমেরিকায় যার মধ্যে অধিকাংশ গুজরাট এবং পাঞ্জাব থেকে।

Read More

বাজেটে ব্রাত্য বাংলা

২ ফেব্রুয়ারি,কলকাতা: গতবার ১৮ জন বিজেপি সাংসদ নিয়েও বাজেটে বাংলা ছিল বঞ্চিত, এবারেও ১২ জন সাংসদ নিয়েও বাংলার ভাগ্যে সিকে ছিঁড়ল না। ১ তারিখ দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন। এই বাজেট ভারতের বাজেট না বিহার, দিল্লি, অন্ধ্রের বাজেট , এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সহ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিত মিত্র প্রমুখ এই বাজেটকে দিশাহীন আখ্যা দিয়েছেন।গত অর্থবর্ষের সংশোধিত বাজেটের থেকে অর্ধেকেরও কম হয়ে গিয়েছে দমদম বিমানবন্দর-নিউগড়িয়া ভায়া রাজারহাট মেট্রো প্রকল্পের বরাদ্দ। এই প্রকল্পে গত অর্থবর্ষে সংশোধিত বাজেট ছিল ১৫৫০ কোটি। এবার তা হয়েছে ৭২০.৭২ কোটি। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর ক্ষেত্রে সে অর্থে কোনও বদল হয়নি। এই প্রকল্পে গত অর্থবর্ষে বরাদ্দ হয়েছিল ৯০৬ কোটি টাকা। সংশোধিত বরাদ্দে যা কমে হয়ে গেছে ৫০০ কোটি টাকা। এবারও কোনও বদল হয়নি। সামান্য বেড়েছে জোকা-বিবাদি বাগ ভায়া মাঝেরহাট মেট্রোর বরাদ্দ। গত অর্থবর্ষে ১২০৮.৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমে হয় ৮৫০ কোটি টাকা। এবার তা ৬৪ কোটি টাকা বেড়ে হয়েছে ৯১৪ কোটি টাকা। শুধু বাংলা নয়, বঞ্চনার ছবি দেখা গেল রেলের সুরক্ষার দিকেও। আলাদাভাবে সেভাবে সুরক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর কোনও ইঙ্গিত মিলল না। পরপর দু’বছর রেলের বাজেট আটকে থাকল ২.৫২ লাখ কোটি টাকাতেই। নতুন রেল লাইন, নতুন ট্রেন, নতুন স্টেশন, নতুন কারখানা— কিছুরই ঘোষণা করা হল না।বাংলার উত্তর অংশের অর্থনীতি মূলত চা নির্ভর। অথচ চা নিয়ে একটিও শব্দ খরচ করেননি অর্থমন্ত্রী। টি অ্যাসোশিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার উত্তরবঙ্গের চেয়ারম্যান চিন্ময় ধর বলেন, ‘এই বাজেট নিয়ে কিছু বলার নেই আমাদের। আমরা আশাহত। গত একবছর চায়ের নিলাম, চায়ের উৎপাদন দুই ক্ষেত্রেই মার খেয়েছি আমরা। হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে উত্তরবঙ্গে। ন্যূনতম কোনও বিশেষ সুবিধাও আমরা পেলাম না।” আগে বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা হত। গত কয়েক বছর এসব উধাও। ২০২৪ সাল উত্তরবঙ্গের চা-শিল্পে মহাসংকট তৈরি করে। পাশাপাশি বিদেশ থেকে (কেনিয়া) অবাধে চা আমদানি হয়েছে। গত ৫ বছরের বাজেট বিশ্লেষণ করে চা-মহলের একাংশ জানিয়েছে, উত্তরঙ্গের চা-শিল্প কার্যত বঞ্চিত। দেশে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি চা-শিল্পে মানুষ কর্মরত। বিদেশে চা-রপ্তানিতেও গত ১০ বছর যথেষ্টই পিছিয়ে রয়েছে দেশ। চা উৎপাদন করতে যে খরচ হয়, সেই টাকাই উঠে আসে না অনেক বাগানে চা বিক্রি করে। আর একবার চায়ের মিনিমাম ফ্লোর প্রাইস ঠিক করার দাবিও করেছেন অনেকেই।বিহার বন্যার জন্য বাজেট পেলেও বাংলা এক পয়সাও পায়নি। বাংলার উত্তরে এইম্‌স ও শিলিগুড়িতে মেট্রোর কোনও ঘোষণা এই বাজেটে আসেনি। উড়ান প্রকল্পে বিহার পেলেও বাংলার ভাগ্য প্রায় শূন্য। বাজেটে পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির উন্নতির কথা বললেও বাংলা ব্রাত্যই থেকে গেল। ঘাটাল ও কান্দি মাস্টার প্ল্যানে বরাদ্দ শূন্য। গঙ্গা ভাঙন রোধে নেই কোনও বরাদ্দ। বেঙ্গল কেমিক্যালস এর জন্য বরাদ্দ মাত্র এক লক্ষ টাকা। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণার উৎকর্ষে স্বাক্ষর রাখার প্রতষ্ঠানগুলির প্রাপ্তি প্রায় শূন্য। বরং এই অর্থ পেয়েছে বেসরকারি সংস্থাগুলি।‘ভারতীয় ভাষা পুস্তক প্রকল্পে’ স্কুল এবং উচ্চ শিক্ষায় বিভিন্ন ভারতীয় ভাষার ডিজিটাল বই তৈরির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সদ্য প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ জহর সরকার। তিনি বলেন, “ভাষিণী অ্যাপটির মাধ্যমে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষা তর্জমা করে আদানপ্রদানের কথা বহু দিন ধরে বলা হলেও তা এখনও নড়বড়ে। ভাষা চর্চায় ভারতের বহুভাষিক ঐতিহ্য রক্ষার বদলে ঘুরপথে হিন্দির প্রভাব বাড়ানোই এই সরকারের লক্ষ্য।”

Read More

জৌলুসহীন বইমেলা ! খাবারের স্টলে ভিড় বেশি ,বইয়ের স্টল ফাঁকা।

কলকাতা : জানুয়ারি 31, 2025: ২৮ শে জানুয়ারি থেকে সল্টলেক করুণাময়ী বইমেলা প্রাঙ্গনে শুরু হয়েছে ৪৮ তম কলকাতা আন্তরাষ্ট্রীয় বইমেলা। প্রতিবছর বইমেলা নিয়ে বাঙালি বইপ্রেমিকদের তুমুল আগ্রহ উদ্দীপনা থাকে। কিন্তু এবছর ছবি অন্য। বিগত বছর গুলির মতো এবছর তেমন সাড়া জাগানো ভিড় চোখে পড়ছেনা স্টল গুলিতে। বড় স্টল গুলিও ভিড় টানতে ব্যর্থ। প্রশ্ন উঠছে বই প্রেমিক বাঙালি কি বই বিমুখ হয়ে পড়েছে ? অন্যদিকে ফুড স্টল গুলিতে প্রায় সবসময় ভিড় লেগেই আছে। অনেকে কটাক্ষের সুরে বলছে এটা বইমেলা না খাদ্য মেলা মাঝে মাঝে বোঝাই যাচ্ছে না। প্রশ্ন উঠছে গিল্ডের ভূমিকা নিয়েও। প্রকাশকরা চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছে সপ্তাহান্তের দিকে। আগামী শনি ও রবিবার বই প্রেমিকরা ভিড় করবে বইয়ের স্টলে এটাই তাদের আশা।

Read More