নিজস্ব সংবাদদাতা

মুর্শিদাবাদে দাঙ্গায় দাঙ্গাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ও পুলিসি একশনের দাবিতে বাংলা পক্ষর মিছিল কলকাতার রাজপথে

এপ্রিল ১৫,কলকাতা: বাংলা পক্ষ দাঙ্গাবাজমুক্ত বাংলা চায়। মুর্শিদাবাদ সহ যেখানেই দাঙ্গা হবে সেখানেই পুলিসের গুলি চাই।পয়লা বৈশাখের পুণ্য লগ্নে বাংলা পক্ষ প্রতিবছর বাঙালির ব্যবসা উদযাপন করতে “টাকা মিছিল” করে। কিন্তু এ বছর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলা পক্ষ শপথ করছে, “দাঙ্গাবাজদের চামড়া, গুটিয়ে নেব আমরা”।এই দাবিতে কলকাতার রাজপথে মিছিল। বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।ভোটের অঙ্কে কোন সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় নয়, বাঙালির রক্তে ভোট গোনা না, আমরা চাই বাঙালির সহাবস্থানের বাংলা।বাংলা পক্ষ আশা, ভরসা, ভালোবাসার বাংলা চায়। যে বাংলায় ১০-১৫ বছরের ছেলে দাঙ্গায় যাবে না৷ পড়াশোনা করবে৷ আগামীতে চাকরি-কাজ- ব্যবসায় অধিকারের দাবিতে লড়বে।ধর্মীয় মৌলবাদ বাঙালির মধ্যে বিভাজন করে। কিন্তু বাংলা ভাষা, বাঙালি সংস্কৃতি বাঙালিকে জোড়ে৷তাই রাজ্য দিবসে বাংলা পক্ষর শপথ, বাঙালিকে আমরা বাংলা ভাষার সূত্রে গাঁথবোই, ঐক্যবদ্ধ করবোই।মিছিলে নেতৃত্ব দেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, সৌম্যকান্তি ঘোড়ই, শিল্পী পক্ষর অধিকর্তা প্রবাল চক্রবর্তী সহ নানা নেতৃত্ব৷আবারও বাংলা পক্ষ সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানায়৷

Read More

ধর্মের নামে অশান্তি করলে পুলিসকে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে : গর্গ চট্টোপাধ্যায়

৩ এপ্রিল ২০২৫, কলকাতা : আগামি ছাব্বিশ সালের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একদিকে আরেসেসের অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডা ও অন্যদিকে জামাতি কট্টর মুসলিম মৌলবাদের উস্কানি ক্রমাগত চলছে। এই অবস্থায় যেকোনও সাধারণ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রং দিয়ে বাংলায় দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা চলছে। প্রশাসন এই অবস্থায় কঠোর ও নিরপেক্ষ অবস্থান না নিলে বাংলা আরও বিপদে পড়বে। বাংলাপক্ষ’র সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে বাংলাপক্ষ’র অবস্থান পরিষ্কার করেছে। গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ধর্মের নামে অশান্তি করলে পুলিসকে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাকে যারা অশান্ত করতে চাইবে তাদের কোনও প্রকার ধর্মীয় পরিচয় না দেখে কঠোর অবস্থান নিতে হবে প্রশাসনকে। কারণ এটা সভ্য বাংলা। এখানে কোনরকম অসভ্যতার ঠাঁই নাই।

Read More

শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে আক্রান্ত সাংবাদিক

০১ এপ্রিল, ২০২৫, কলকাতা: গত ৩০ মার্চ শিয়ালদহ স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে বেরোনোর পথে এক ব্যক্তি এক বা একাধিক মহিলার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। বঙ্গপ্রহরী আপডেট্‌স নামক মিডিয়া চ্যানেলের এডিটর-ইন-চিফ বিক্রমাদিত্য রায়চৌধুরী ও তার চিত্র সাংবাদিক বোধিস্বত্ত্ব বোস ক্যানিং–শিয়ালদা লোক্যাল ট্রেনে ৫.৩০ মিনিটে স্টেশনে নেমে বের হওয়ার পথে ব্যাপারটি লক্ষ করেন এবং ঘটনাটি ভিডিয়ো করেন। শুধু তাই নয় এই নিয়ে তারা প্রতিবাদ করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ও শ্লীলতাহানির শিকার মহিলাটিকে নিয়ে তারা আর পি এফ এর কাছে নিয়ে যান। একজন মহিলা আরপিএফ বিষয়টি সামাল দিতে তার সহকর্মী রজনীশ কুমারকে ডাকে। রজনীশ কুমার ঘটনাটি সঠিক পর্যবেক্ষণ না করেই শ্লীলতাহানির শিকার মহিলা ও উপস্থিত জনতার ভিড়কে সরিয়ে দিতে উদ্যত হন এবং চেঁচাতে থাকেন। ফলত, শ্লীলতাহানির শিকার মহিলা ও ভয় পেয়ে ভিড়ের সাথে চলে যান। এরপর রজনীশ কুমার তাদের আর.পি.এফ অফিসে নিয়ে যান। যাওয়ার পথে তিনি বিক্রমাদিত্য এবং তার সহকর্মীর সাথে ক্রমাগত খারাপ আচরণ ও বচসা করতে থাকেন। অফিসে পৌঁছানোর পর বিক্রমাদিত্য যখন ডিউটি অফিসারের সাথে কথা বলতে চায়, তখন অফিসারটি কথা না শুনে তাদের ধমক দেন ও অশালীন শব্দ ব্যবহার করেন। এরপর তিনি বিক্রমাদিত্যের উপর আক্রমণ করেন এবং তার চিত্র সাংবাদিকের মোবাইল ফোনটি ফেলে দেন। চিত্রসংবাদিক বোধিস্বত্ত্ব বোস আত্মরক্ষার জন্য আরপিএফের আচরণ ক্যামেরা বন্দী করছিল। বিক্রমাদিত্যকে সজোরে আঘাত করার ফলে রক্তক্ষরণ হয় এবং আঘাত প্রাপ্ত হন।বিক্রমাদিত্য রায়চৌধুরী এই বিষয়ে শিয়ালদা জিআরপির কাছে অভিযোগ করেন। নিজের কর্তব্য করতে গিয়ে বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে উলটে প্রতিবাদকারীকেই হেনস্থা হতে হচ্ছে। বাংলার স্টেশনে হিন্দিভাষী আরপিএফের এহেন আচরণ একবার নয়, বারবার চোখে পড়ছে। অথচ প্রশাসন নীরব। যদি এই ঘটনার বিহিত না হয়, বাংলাপক্ষ পথে নামার হুমকি দিয়েছে।

Read More

ভুয়ো ভোটার কার্ড বাতিলের দাবিতে ও শিলিগুড়ির ফুটপাত সহ মহানন্দার চর থেকে বহিরাগত উচ্ছেদের দাবিতে বাংলা পক্ষর সভা শিলিগুড়ির ডাবগ্রামে

শিলিগুড়ি,৩০ মার্চ: শিলিগুড়ির মাটি, চাকরি-কাজ-ব্যবসা দখল হয়ে গেছে। ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করে ফুটপাত থেকে বড় চাকরি ও কাজ সব দখল করছে বিহার-ইউপির লোকজন। শিলিগুড়িতে কয়েক লাখ এমন বহিরাগত আছে যাদের দু রাজ্যে ভোটার কার্ড। এমনকি ওরা মহানন্দার চর দখল করে খাটাল খুলেছে, পাকা বাড়ি বানিয়েছে।ভুয়ো ভোটার ধরার দাবিতে এবং যাদের দু রাজ্যে ভোটার কার্ড তাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম মাঠে সভা করলো বাংলা পক্ষ।সভার উদ্যোক্তা শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা ও জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়। সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য রজত ভট্টাচার্য, জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায় ও অন্যান্যরা। গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শিলিগুড়ির মাটিতে বাগডোগরায় বিহার দিবসে “জ্যায় বিহার, জ্যায় বিহার” করে স্লোগান দিয়ে বাঙালিকে চমকাতে মিছিল করে ওরা। বিহারে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করে বিজেপি? উত্তর হল- করে না৷ কিন্তু বাংলায় ওরা বিহার দিবস করে৷ তাছাড়া শিলিগুড়িতে ক্রাইম করছে ওরা মানে বহিরাগতরা। ভুয়ো ভোটার কার্ডে ছেয়ে গেছে শিলিগুড়ি। তাই ওদের ভুয়ো ভোটার কার্ড বাতিল করতে হবে।” কৌশিক মাইতি বলেন, “মহানন্দ নদী শিলিগুড়ির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহানন্দার চর আসলে বিহার হয়ে গেছে। খাটাল, পাকা বাড়ি সব করেছে। পুরো শিলিগুড়ি বহিরাগতদের দখলে। বাঙালি, রাজবংশী ছেলে-মেয়েদের কাজ নেই। সব কিছুতে বিহার-ইউপির লোকজন৷ শিলিগুড়ির চাকরি ও কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। মহানন্দার চর ও ফুটপাত থেকে বহিরাগতদের উচ্ছেদ করতে হবে।” রজত ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপি- আর এস এস বাঙালি ও রাজবংশীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে। কিন্তু বাংলা পক্ষ বাঙালি, রাজবংশী সহ প্রতিটা ভূমিপুত্রর স্বার্থে লড়ছে। জলপাইগুড়ির দোমোহনিতে দ্বিতীয় AIIMS, শিলিগুড়িতে মেট্রো এবং NJP কে কেন্দ্র করে লোকাল ট্রেনের দাবিতে লড়ছে বাংলা পক্ষ।”

Read More

বাংলা গান গাইলেন না: আক্ষেপ চিরঞ্জিতের

২৪ মার্চ, ২০২৫,কলকাতা : বলিউড এবং বিসিসিআই হিন্দি আগ্রাসনের পুরোধা, একথা আবারও প্রমাণ হল। ২২ মার্চ আইপিএল এর উদ্বোধন হল কলকাতায়। উদ্বোধনী গান গাইলেন বাঙালি বলিউডি গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। অনুষ্ঠানে শ্রেয়ার গানের তালিকায় ছিল ‘যুবা’, ‘মা তুঝে সালাম’, ‘রং দে বাসন্তী’, ‘ঘুমার’, ‘ঢোল বাজে’র মতো একাধিক জনপ্রিয় হিন্দি গান। তেলেগু গানেরও ছোঁয়া পাওয়া গেল। বাংলার রাজধানী কলকাতায় উদ্বোধন হল, বাঙালি গায়িকা গান গাইলেন অথচ বাংলা গান হল না। বাংলাপক্ষ বারবার অভিযোগ করে বলিউড ও ক্রিকেট হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের পথিকৃৎ তা আবারও প্রমাণিত হল। এবার শুধু বাংলাপক্ষই নয় আপামর সাধারণ বাঙালির পক্ষ থেকেও উঠে এলো বিতর্ক। বাংলার বলিষ্ঠ অভিনেতা চিরঞ্জিত আক্ষেপ করে বললেন ‘ বাংলায় উদ্বোধন হল, গায়িকা নিজেও বাঙালি, একটা বাংলা গান গাইলেন না।’শ্রেয়া ঘোষাল একজন গায়িকা মাত্র। তিনি পারিশ্রমিকের বিনিময়ে গান করেন। সুতরাং কর্তৃপক্ষের কাছ যা আদেশ হয়েছে উনি তাই গেয়েছেন। এতে উনি দোষী নন। আসলে ভারতে হিন্দিকে অলিখিত ভাবে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার পুরানো পন্থা।

Read More

বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ বন্ধের দাবিতে ও রোহিঙ্গা ঢোকা বন্ধ করতে রাজারহাটে বাংলা পক্ষর বিএসএফ দপ্তর অভিযান

২২ মার্চ, ২০২৫, কলকাতা: আজ বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে রাজারহাটে বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের সদর দপ্তরে বাংলার সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মূলত বিজেপি দাবি করে আসছে বাংলায় বিপুল পরিমাণে অবৈধ অনুপ্রবেশ হচ্ছে, মুসলমান বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গারা এই বাংলায় প্রচুর পরিমাণে প্রবেশ করে জনবিন্যাসের বদল ঘটাচ্ছে, ভোটার তালিকায় ঢুকে পড়ছে। তাহলে কি বিজেপির মতে বিএসএফ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ব্যর্থ? এই বিষয়ে সঠিক তথ্য জানতেই ও অনুপ্রবেশ বন্ধের দাবিতে আজ বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের দপ্তরে অভিযান করে বাংলা পক্ষ। গর্গ চট্টোপাধ‍্যায় বলেন ” সীমান্তের দায়িত্বে রয়েছে বিএস এফ, যা আবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। এই বিপুল পরিমাণে নিয়মিত অনুপ্রবেশের দায় বিএসএফ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এড়াতে পারেনা।” বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় ও সাংগঠনিক সম্পাদক তথা শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বিএসএফের ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেন। ডেপুটেশনের পর কৌশিক মাইতি বলেন ” ডিআইজি জানিয়েছেন যে এই মুহূর্তে বর্ডারে নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে সুনিশ্চিত। অন্তত এই বছর কোন বেআইনি অনুপ্রবেশকারী নেই সে অর্থে এবং এবছর একটাও রোহিঙ্গা প্রবেশ করেনি এবং তিনি এটাও বলেছেন যে বিগত কয়েক বছরেও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সংখ্যা অত্যন্তই নগণ্য। সংবাদ মাধ্যমের হাতে সঠিক তথ‍্য তিনি তুলে দিতে পারবেন বলেই আমাদের জানিয়েছেন।”গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা ভারতীয় আধাসেনাকে কে সম্মান করি, তাই তাদের তথ্যকে বিশ্বাস করছি। এটা বলতেই হয় বিজেপি তাহলে মিথ্যাচার করছে।” কৌশিক মাইতি বলেন দিনের শেষে বাংলার সীমান্ত সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতেই হবে। বাংলা পক্ষর স্পষ্ট দাবি, বাংলার সীমান্তে কোনরকম বেআইনি অনুপ্রবেশ যেন না হয়। আমরা চাই বাংলার সীমান্ত সুরক্ষিত থাকুক সেটা বাংলাদেশ সীমান্ত হোক বা নেপাল সীমান্ত।এদিনের বিক্ষোভ সমাবেশে গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক মাইতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক কুশনাভ মন্ডল, উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, অভিজিৎ দে, হুমায়ুন মোল্লা সহ বিভিন্ন জেলার সহযোদ্ধারা।

Read More

শিলিগুড়ি পৌরনিগমে সাইনবোর্ড বাংলায়

১৯ মার্চ, ২০২৫, শিলিগুড়ি: পাঁচ বছর ধরে বাংলাপক্ষ’র নিরন্তর স্মারকলিপি প্রদান ও আন্দোলনের ফলে শিলিগুড়ি পৌরনিগম শিলিগুড়ি শহরের সর্বত্র বাংলা ভাষায় সাইনবোর্ড লেখার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বাধ্য হল। গত ১৬ই মার্চ একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিলিগুড়ি পৌরনিগম ঘোষণা করে, শিলিগুড়ি পৌরনিগমের অন্তর্গত সর্বত্র জনসাধারণ ও ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সবরকম পরিচয় ফলক অর্থাৎ সাইনবোর্ড, বিজ্ঞপ্তিলট বা হোর্ডিং এবং চিহ্ন বা সাইন এজ অন্য যে কোন ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষায় লেখা বাধ্যতামূলক। এই নির্দেশনামা সকল বেসরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, দোকান, কোম্পানি, শপিংমল, অফিস, রেস্তোঁরা, হোটেল, হাসপাতাল এবং রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে প্রযোজ্য হবে বলে নিগম জানায়। শিলিগুড়ি পৌর নিগম জানিয়েছে সকল নগরবাসীদের কাছে বাংলা ভাষার ঐতিহ্য বহাল রাখা এবং সকলের অন্তর্ভূক্তির জন্যই এই সিদ্ধান্ত। বাংলাপক্ষ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। বাংলাপক্ষ জানিয়েছে এই সিদ্ধান্ত কতটা বাস্তবায়ন হয় সেটাই দেখার বিষয়। “গত ১১ বছরে বাংলায় রেলের বরাদ্দ ১৭% থেকে কমিয়ে সাড়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে” রাজ্যসভায় ঋতব্রত১৯ মার্চ, কলকাতা: গত ১১ বছরে নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বাংলায় রেলের বাৎসরিক বরাদ্দ প্রায় ১৭ শতাংশ, থেকে কমে দাঁড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ শতাংশের মতো।” এভাবেই বাংলার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধরেন তৃণমূলের রাজ্য সভা সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের মোদী শাসিত বিজেপি সরকার দেশের অবিজেপি শাসিত রাজ্যগূলোকে রেলের বরাদ্দ অস্বাভাবিক হারে কমিয়ে দিয়েছে। বাংলায় ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হেরে গিয়ে বিজেপি প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন “আমরা বুলেট ট্রেনের বিরোধী নই। কিন্তু যেভাবে গোটা দেশে বাণিজ্য বিস্তারের জন্য ডেডিকেটেড রেল ফ্রেট করিডোর তৈরির কাজ পেছনে ফেলে রেখে বুলেট ট্রেনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে তার বিরোধী আমরা। বুলেট ট্রেন চালানোর জন্য প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয় 200 কোটি টাকা। অথচ ডেডিকেটেড রেল ট্রেড করিডোর তৈরির জন্য প্রতি কিলোমিটারে খরচ মাত্র ২৫ কোটি টাকা। কেন ফ্রেট করিডোর তৈরিতে তাহলে অগ্রাধিকার দেবে না রেল মন্ত্রক?”রেল মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন করেন “আমরা জানতে চাই রাজ্য সরকারের তরফে যাবতীয় জমি অধিগ্রহণ সমস্যা মিটিয়ে জমি রেলের হাতে তুলে দেওয়া সত্ত্বেও কেন বিহারের শোননগর থেকে বাংলার ডানকুনি পর্যন্ত ফ্রেট করিডরের কাজ গত ১২ বছর ধরে আটকে পড়ে রয়েছে? কেন এই কাজ শুরু করা গেল না? এই ফ্রেট করিডোর তৈরি হলে সাধারণ মানুষ এবং কৃষকরা তাদের পণ্য সহজে পরিবহন করতে পারতেন এবং তার ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরো কমানো সম্ভব হত।”

Read More

দলে আবারও শক্তিশালী হচ্ছে অভিষেক ব্যানার্জী, মেয়র পদ থাকবে ফিরহাদ হাকিমের ?

১৫ মার্চ,কলকাতা: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ সাংসদ ও বিধায়ক সহ তৃণমূলের মূল সংগঠন ও শাখা সংগঠন গুলির ব্লক, জেলা ও রাজ্যে স্তরের পদাধিকারীদের সাথে সাংগঠনিক মিটিং করলেন। মিটিং এর মূল বিষয় ছিল ভুতুড়ে ভোটার। এছাড়াও নানা সাংগঠনিক রদবদলের বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷বিজেপি বাংলায় বিধানসভা ভোট জিততে ভিন রাজ্য থেকে ভোটার আমদানি করছে। গত কয়েকদিন এই বিষয়ে বারবার আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি কমিটিও গড়ে দেন যাতে করে বুথে বুথে ভোটার লিস্ট স্ক্রুটিনি করা যায়৷ এই বিষয়ে গত কয়েকদিন আগেই মিটিং করেছিল ববি হাকিম, সুব্রত বক্সী সহ প্রবীন নেতারা৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই মিটিং এ গড় হাজির ছিলেন। নবীন বনাম প্রবীন লড়াইয়ে দলে নানা ঘটনা ঘটে চলেছে। আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাই নিজে ভার্চুয়ালি সাংগঠনিক মিটিং করলেন।বি পি সংবাদ তৃণমূলের নানা তরুণ মুখের সাথে যোগাযোগ করেছিল। ফিরহাদ হাকিম, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের উপর বেজায় ক্ষুব্ধ তরুণ প্রায় সকলেই। তারা নেতৃত্বে চান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই বার্তাই স্পষ্টত উঠে এসেছে বারবার। সামাজিক মাধ্যমে চোখ রাখলেও এটা দেখা যায়৷আজ মিটিং এর পর কয়েকটা প্রশ্ন উঠছে, তার উত্তর এখনও অজানা।১. বিহার, ইউপি ও ঝাড়খন্ডের প্রচুর মানুষ কর্মসূত্রে বাংলায় আছে যাদের দুই রাজ্যের ভোটার কার্ড আছে। এদের বিরুদ্ধে তৃণমূল দল বা রাজ্য প্রশাসন কি আদৌ কোনো ব্যবস্থা নেবে?২. বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যেভাবে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিচ্ছে তাতে বিজেপির লাভ বলেই মনে করছে তৃণমূলের অধিকাংশ কর্মী-সমর্থক। হুমায়ুন কবীরের মন্তব্যে বারবার অস্বস্তিতে পড়ছে দল৷ তারপরও দল তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নিতে সাহস দেখাচ্ছে না?৩. ফিরহাদ হাকিম বারবার এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যাতে হিন্দুরা ক্ষুব্ধ হয়। বিজেপি ব্যাপক লাভবান হয়েছে এই সব মন্তব্যে, মত বিশেষজ্ঞদের। এরপরও কি ফিরহাদ হাকিমকে দল কড়া বার্তা দেবে না? সাংগঠনিক রদবদলের পরও কি তিনিই কলকাতার মেয়র থাকবেন? প্রশ্ন তুলছে অনেকে৷৪. সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে দলের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা বলেছেন এবং হিন্দি আগ্রাসনকে ভালো বলেছেন- তাতে এই প্রবীন সাংসদের বিরুদ্ধে দল কি ব্যবস্থা নেবে?৫. উত্তরের জেলাগুলোয় গত কয়েকটা ভোটেই খারাপ ফল করেছে তৃণমূল। উত্তরের জেলাগুলোয় বিধানসভা ভোটে কি স্ট্র‍্যাটেজি নেবেন সেনাপতি অভিষেক? আদৌ কি তিনি উত্তরের চার-পাঁচটি জেলাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন?৬. গোটা ভারতের রাজনীতি ডিলিমিটেশন ইস্যুতে তোলপাড়৷ বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা দক্ষিণ ভারত৷ এই পরিস্থিতিতে ডিলিমিটেশন ইস্যুতে তৃণমূলের অবস্থান কি হবে?

Read More

‘ডিলিমিটেশন, অহিন্দি রাজ্যের উপর তলোয়ার’- স্ট্যালিনের চিঠি মমতা সহ সাত মুখ্যমন্ত্রীকে

১৫ মার্চ, কলকাতা: তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন ডিলিমিটেশন বিষয়ে সাতটি অহিন্দি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটিতে(JAC) যোগ দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত মান, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি, এমনকি ওড়িশার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মোহন চন্দ্র মাঝিকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এম কে স্ট্যালিন আগামি ২২ মার্চ JAC তে যোগ দেওয়ার জন্য।স্ট্যালিন বলেছেন, “এই মুহূর্তটি নেতৃত্ব এবং সহযোগিতার দাবি করে – রাজনৈতিক পার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে বৃহত্তর কল্যাণের জন্য দাঁড়ানো,” তিনি আরও লিখেছেন, “রাজ্যগুলির ন্যায্য সম্পদ সুরক্ষিত করার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উপর গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলিকে প্রভাবিত করার এবং রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারগুলিকে যথাযথ মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে আমাদের একসাথে দাঁড়াতে হবে – পৃথক রাজনৈতিক সত্তা হিসাবে নয়, বরং আমাদের জনগণের ভবিষ্যতের রক্ষক হিসাবে।”সিদ্দারামাইয়াকে লেখা তিন পৃষ্ঠার চিঠিতে স্ট্যালিন সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের পরে, পরবর্তী আদমশুমারির ভিত্তিতে আসন পুনর্বণ্টন করা হলে রাজনৈতিক দৃশ্যপট নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। “যেসব রাজ্য তাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং উচ্চতর শাসন সূচক অর্জন করেছে, তাদের রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণের মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব হ্রাসের শাস্তি দেওয়া হবে।”সিদ্দারামাইয়া এই বিষয়টির তাৎপর্য স্বীকার করেছেন, বিশেষ করে নতুন জনসংখ্যার মানদণ্ডের ভিত্তিতে সংসদীয় ও বিধানসভা নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে। তিনি আলোচনায় অংশ নিতে তার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কিন্তু পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না। তিনি জানিয়েছেন,”যদিও আমি সভায় অংশগ্রহণ করতে চাই, আমার সময়সূচীর কারণে, আমি তা করতে পারছি না। তাই, আমি উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।” কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে সিদ্দারামাইয়া আরো বলেন “ডিলিমিটেশন গণতন্ত্রকে দুর্বল করে এবং সংবিধানের যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতি লঙ্ঘন করে….কর্ণাটক তার অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে – আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামকে সমর্থন করব।”কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ দক্ষিণ রাজ্যগুলিকে আশ্বস্ত করেছেন যে তাদের এই পরিণতি সম্পর্কে ভয় পাওয়ার দরকার নেই, ডিলিমিটেশনের ফলে আসন সংখ্যা আনুপাতিক হারে হ্রাস পাবে না এবং এর ফলে একটিও দক্ষিনী রাজ্য প্রভাবিত হবে না। কিন্তু এই বক্তব্য যে অর্ধসত্য তা সকলেই জানে। অহিন্দি রাজ্যের আসন না কমলেও হিন্দি বলয়ের আসন এত সংখ্যা বাড়বে যে ভারতে অহিন্দি রাজ্য অধিকারের অলিন্দ থেকে সরে যাবে। স্ট্যালিন বলেছেন- ডিলিমিটেশনের তলোয়ার ঝুলছে দক্ষিনী রাজ্যগুলির উপর, একে ভোঁতা করতে হবে। ডিলিমিটেশনের সমস্যা কী ? ডিলিমিটেশন হল লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভার আসন সংখ্যা নির্ধারণ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়া। এটি তফসিলি জাতি (SC) এবং তফসিলি উপজাতি (ST) এর জন্য কতগুলি আসন সংরক্ষিত তাও নির্ধারণ করে। এই অনুশীলনটি ১৯৫১, ১৯৬১ এবং ১৯৭১ সালের আদমশুমারির পরে পরিচালিত হয়েছিল। ৭১ সালে দেখা গেল অহিন্দি বলয়ের জনসংখ্যা স্বাভাবিক ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। কিন্তু হিন্দি বলয়ে জনসংখ্যা উত্তরোত্তর বেড়েছে। সুতরাং আসন পুনর্বিন্যাস করতে গেলে ভারতের অহিন্দি রাজ্য বঞ্চিত হবে এবং ভারতের ফেডেরাল কাঠামো ভেঙে পড়বে। তখন এই বিন্যাস ২০০০ সাল পর্যন্ত স্থগিত করে দেয় ইন্দিরা সরকার। এবং হিন্দি বলয়ের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দেওয়া হয়। ২০০১ সালে অটল সরকারও বিপদ উপলব্ধি করে ২০২৬ পর্যন্ত স্থগিত করেন। সামনে ২০২৬ । ডিলিমিটেশনের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে মোদী সরকার। জনসংখ্যার বৈষম্য অব্যাহত থাকায় ডিলিমিটেশন আগামী ত্রিশ বছর পর্যন্ত স্থগিতকরণ আরও বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছেন স্ট্যালিন।যদি ২০২৬ সালের আদমশুমারির ভিত্তিতে আসন পুনর্বণ্টন করা হয়, তাহলে উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি আরও বেশি আসন পাবে, অন্যদিকে দক্ষিণ এবং ছোট উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি রাজনৈতিক প্রভাব হারাতে পারে।মোট আসন ৫৪৩টি রাখা হবে কিনা, কিন্তু রাজ্যগুলির মধ্যে পুনর্বণ্টন করা হবে কিনা, নাকি মোট আসন ৮৪৮-এ উন্নীত করা হবে, যাতে সমস্ত রাজ্য আরও বেশি আসন পাবে, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।উভয় ক্ষেত্রেই, দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি,পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মতো ছোট উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির আসন সংখ্যা রাষ্ট্রীয় গড় বৃদ্ধির তুলনায় কম শতাংশ হরে বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এটির ন্যায়সঙ্গতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে অহিন্দি রাজ্যের অধিবাসীরা, কারণ যেসব রাজ্য তাদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে তাদের প্রতিনিধিত্ব কমে যাবে সংসদে। এটি ১৯৭১ সালের আদমশুমারির ভিত্তিতে আসন নির্ধারিত করার মূল ধারণারও পরিপন্থী।যদি ৫৪৩ আসন রাখা হয় বাংলা সহ দক্ষিণের রাজ্যগুলি আসন হারাবে। যদি ৮৪৮ আসন করা হয় উত্তরের রাজ্যগুলির আসন এত বৃদ্ধি পাবে অহিন্দি রাজ্যগুলি সংসদে সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে। দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে বর্তমানে আসন সংখ্যার ২৪% ভাগ রয়েছে, সেখানে আসন সংখ্যা ৫% কমে যাবে। একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হল।আসন সংখ্যা ৫৪৩ থাকলে- আসন সংখ্যা জনসংখ্যা অনুসারে বেড়ে ৮৪৮ হলে- সূত্রঃ Vaishnab et al, Carnegie Endowment রাজ্য থেকে যে পরিমাণ কর কেন্দ্রে যায় তার কত শতাংশ কোন রাজ্য পায়, সেদিকে তাকালে দেখা যাবে তামিলনাড়ু ১ টাকায় ফেরত পায় ২৯ পয়সা, কর্নাটক পায় ১৫ পয়সা সেখানে বিহার ১ টাকায় পায় ৭ টাকা, উত্তরপ্রদেশ পায় ২ টাকার বেশি। অহিন্দি জাতির টাকায় উত্তরের রাজ্যগুলি প্রতিপালিত হয়। অথচ দক্ষিণের রাজ্যগুলি, পাঞ্জাব বাংলা ওড়িশা কার্যত হিন্দির উপনিবেশে পরিণত হবে। হিন্দি ভাষা বিতর্কে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সংসদে বলেছেন-“সস্তা রাজনীতির জন্য আপনারা তামিলনাড়ুর ছাত্র সমাজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন। আপনারা অসৎ, অসভ্য। ব্রিটিশ ঔপনিবেশকতা সরিয়ে হিন্দির উপনিবেশ হতে আপনাদের এত আপত্তি কীসের।”  অর্থাৎ হিন্দি বলয়ের মানসিকতা স্পষ্ট।  এখন দেখার বিষয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে সাড়া দেন।

Read More

ভুয়ো ভোটার বাদ গেলে বিজেপির সমস‍্যা কেন ?

২ মার্চ, কলকাতা:সম্প্রতি বাংলার মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় বাংলার ভোটার তালিকায় বিহার, হরিয়ানা, পাঞ্জাব প্রভৃতি রাজ‍্য থেকে প্রচুর ভুয়ো ভোটার ঢোকানোর অভিযোগ করেছেন। তিনি তাঁর দলীয় কর্মীদের বুথ পর্যায়ে ভোটার লিস্ট পরীক্ষা ও সংশোধনের কাজ শুরু করতে বলেছেন। তাঁর অভিযোগ বিজেপি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে এই ভুয়ো ভোটার ঢোকাচ্ছে।তাঁর এই অভিযোগের সত‍্যতা যে আছে, সেটা এখানকার বিজেপি নেতাদের বক্তব‍্যে পরিষ্কার হচ্ছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে রাজ‍্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কথা শুনে মনে হচ্ছে “ঠাকুর ঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি”! ভোটার তালিকা অবৈধ ভোটার মুক্ত হওয়া তো গণতন্ত্রে অত‍্যন্ত জরুরী, এতে বিজেপির এত সমস‍্যা কেন? বিজেপিকেই বলতে শোনা যায় অবৈধ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গরা এখানে এসে ভোটার হয়ে যাচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন হলে তো এরাও বাদ যাবে। নাকি বিজেপির আসল খেলাটা বাংলাদেশী, রোহিঙ্গার কথা বলে ভিন রাজ‍্য থেকে ভুয়ো ভোটার ঢোকানো? মৌচাকে ঢিল পড়ার আশঙ্কায় তাদের সমস‍্যা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে এসব প্রশ্ন উঠছে।বাংলার ভোটার তালিকায় বহিরাগতরা ঢুকছে, অনেকের ডুয়াল কার্ড আছে এই অভিযোগ বাংলা পক্ষ দীর্ঘদিন করছে। বাংলা পক্ষর সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ‍্যায় বলেন ” আমরা বাংলার ভোটার তালিকা সংশোধন দাবি করছি। বিহার, হরিয়ানা থেকে অথবা বাংলাদেশী, রোহিঙ্গা যেই অবৈধ ভাবে তালিকায় থাকুক, তাকে চিহ্নিত করে বাদ দিতে হবে। ” কৌশিক মাইতি বলেন অনেকের বিহার, ইউপির সাথে এখানেও ভোটার তালিকায় নাম আছে, এদের চিহ্নিত করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ তো দিতেই হবে, সেই সঙ্গে শাস্তিমূলক ব‍্যবস্থাও নিতে হবে।

Read More